কোহিনূর কেমিক্যালের ঋণমান ‘এএ প্লাস’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোহিনূর কেমিক্যাল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ টাকা ৭৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা ১৬ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৬০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোহিনূর কেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৩৫ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোহিনূর কেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ৪৬ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পষর্দ। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোহিনূর কেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ১৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৪৯ পয়সায়।

১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোহিনূর কেমিক্যালের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৩। এর ৫০ দশমিক ৫৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক ৭৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও