ন্যাশনাল হাউজিংয়ের ঋণমান ‘এএ মাইনাস’

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা।

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক কোম্পানি ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৬ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৫ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল হাউজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৯৩ পয়সায়।

২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ন্যাশনাল হাউজিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪০ পয়সায়।

২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল হাউজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

আরও