যদিও শেয়ারদর ও লেনদেনের এ অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলস।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১০ মে সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের শেয়ারদর ছিল ৩৩ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ৪০ পয়সায়। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দর বেড়েছে প্রায় ৭৯ শতাংশ।
চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল (এনএভিপিএস) ১৮ টাকা ১৬ পয়সা।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে লোকসান হয়েছিল ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৩১ পয়সায়।
১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মুলধন ২৬ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ১৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫১ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।