চলতি বছর শেষে কোকোর দাম বাড়ার পূর্বাভাস

চলতি বছরের শেষের দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে কোকোর দাম আরো বাড়তে পারে।

মূলত সুপার এল নিনোর আশঙ্কায় পশ্চিম আফ্রিকায় উৎপাদন কমার পূর্বাভাসে এ আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক জরিপে ১১ ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষক এ কথা জানিয়েছেন।

জরিপ অনুযায়ী, ২০২৬ সাল শেষে লন্ডনে কোকোর দাম ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ৪ হাজার ৪৫০ পাউন্ডে পৌঁছতে পারে। অন্যদিকে নিউইয়র্কের বাজারে প্রতি টন কোকোর দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ডলারে উঠতে পারে।

বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বৈশ্বিক চাহিদা কম থাকায় দাম কিছুটা কমে যায়। কিন্তু দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) তা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার আবহাওয়ার চরম রূপ এল নিনোর কারণে উৎপাদন ব্যবস্থা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার জানিয়েছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরের মধ্যে ৮১ শতাংশ এল নিনো প্রবল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এটি ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী আবহাওয়া বিপর্যয় হিসেবে রেকর্ড গড়তে পারে।

বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ কোকো উৎপাদন হয় পশ্চিম আফ্রিকায়। এর মধ্যে শীর্ষ উৎপাদক দেশ আইভরি কোস্টে এবার উৎপাদন কমে ১৮ লাখ টনে নামতে পারে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় শীর্ষ উৎপাদক দেশ ঘানার উৎপাদন কমে দাঁড়াবে ৫ লাখ ৮০ হাজার টনে, যা দেশটিকে তালিকার তৃতীয় স্থানে নামিয়ে আনবে।

আরও