২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষ

গমের রেকর্ড উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে মিসর

মিসরে ২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে (জুলাই-জুন) গমের রেকর্ড উৎপাদনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষি সেবা সংস্থা (এফএএস) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ায় দেশটিতে গমের আমদানিনির্ভরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডটকম।

এফএএসের তথ্যানুযায়ী, আগামী বিপণন বর্ষে মিসরে গম উৎপাদন আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ৬ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৯৮ লাখ টনে, যা দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফলন। উৎপাদন বাড়ায় গমের আমদানি দুই লাখ টন কমে ১ কোটি ২৫ লাখ টনে নামতে পারে। মূলত খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশী উৎপাদন বাড়ানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে মিসর সরকার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে গম চাষ হয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে কখনো হয়নি। মূলত সরকারি সংগ্রহমূল্য বাড়ায় কৃষকরা গমের আবাদ বাড়াতে উৎসাহী হয়েছেন। এফএএস উল্লেখ করেছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির ক্ষেত্রে মিসরের বেসরকারি খাতই এগিয়ে আছে। আটা রফতানিতেও মিসর এখন বেশ শক্তিশালী। আগামী বিপণন বর্ষে দেশটি প্রায় ১২ লাখ টন আটা রফতানি করতে পারে। এটি গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। মূলত আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় আটা সরবরাহের ক্ষেত্রে মিসর এখন অন্যতম প্রধান দেশ হয়ে উঠেছে।

আরও