আগের দিন শেয়ারটির মূল্য ছিল ৪৪ টাকা ১০ পয়সা। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ারদর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে কোম্পানিটি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) মীর আক্তারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৬৩ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মীর আক্তারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৫১ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মীর আক্তারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৯৯ পয়সায়।
মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৪’। কোম্পানিটির ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০২১ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২০ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৯৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা।