জাপানে দেউলিয়া হওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) দেশটিতে ৫ হাজার ৩৭৩টি কোম্পানি দেউলিয়া হয়েছে। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। সম্প্রতি জাপানে পণ্য ও শ্রমের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলো চাপের মুখে পড়েছে। টোকিও শোকো রিসার্চের প্রতিবেদনে গতকাল এ তথ্য উঠে আসে। খবর জাপান টুডে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এপ্রিল-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাপানে অন্তত ১ কোটি ইয়েন ঋণ থাকা পাঁচ হাজারের বেশি কোম্পানি দেউলিয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের পর এটিই দেউলিয়ার সর্বোচ্চ সংখ্যা।
টোকিও শোকো রিসার্চ বলছে, সামনে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ আরো বাড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বাড়ছে। এতে জাপানে জ্বালানি ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। একই সঙ্গে ব্যাংক অব জাপানের (বিওজে) সুদহার বাড়ানোর কারণে ঋণের খরচও ঊর্ধ্বমুখী।
প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আর্থিকভাবে দুর্বল অবস্থানে থাকা আরো অনেক কোম্পানি ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে।’
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেউলিয়া হওয়া প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই ছোট ব্যবসা। ১০ জনের কম কর্মী রয়েছে এমন কোম্পানির দেউলিয়ার হার ৯০ শতাংশ। এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদহার বাড়িয়েছে বিওজে। গত মাসে সংস্থাটি নীতিসুদ বাড়িয়ে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ করেছে। ৩১ বছরের মধ্যে এটিই দেশটির সর্বোচ্চ নীতিসুদ।