এসডিজি অর্জনে সহায়ক হবে ‘রাইট টু গ্রো’ কর্মসূচি

পুষ্টি ও ওয়াশ খাতের টেকসই সম্প্রসারণ এবং শক্তিশালীকরণের জন্য বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ‘রাইট টু গ্রো’ কর্মসূচির সফল পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতাকে যদি সরকারি কাঠামো ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তাহলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘রাইট টু গ্রো: পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের জন্য আলোকিত ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। বহুপক্ষীয় সহযোগিতামূলক উদ্যোগ রাইট টু গ্রো কান্ট্রি কনসোর্টিয়ামের পক্ষে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান। আর বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট নেদারল্যান্ডসের রাইট টু গ্রো কনসোর্টিয়াম ও কান্ট্রি ডিরেক্টরের গ্লোবাল লিড মিসেস আনেলিস কানিস। এ সময় আরো ছিলেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার ওসমান হারুনি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন কাউন্সিলের মহাপরিচালক ড. মো. রিজওয়ানুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব খন্দকার মো. নাজমুল হুদা শামীম, ন্যাশনাল নিউট্রিশন কাউন্সিলের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে রাইট টু গ্রো কান্ট্রি স্টিয়ারিং কমিটি ও কান্ট্রি ডিরেক্টরের চেয়ারপার্সন ড. এ.টি.এম. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাইট টু গ্রো দেখিয়েছে যে, সরকার, সিভিল সোসাইটি এবং স্থানীয় কমিউনিটি একসঙ্গে কাজ করলে শিশু ও মাতৃ পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন উন্নয়নে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব।’

দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান তিনটি মূল অধিবেশনে ভাগ করা হয়। উদ্বোধনী পর্বে রাইট টু গ্রো প্রোগ্রামের যাত্রা, অর্জন ও শিক্ষণ তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের টিম লিড ইকবাল আজাদ। সমাপনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল।

অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয় ‘গতির ওপর প্রভাব: পরিবর্তনের গল্প’ ভিডিও ও একটি ইমপ্যাক্ট গ্যালারি প্রদর্শনী। দ্বিতীয় পর্বে আলোচনার বিষয় ছিল ‘স্থানীয় সরকার পর্যায়ে পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং ওয়াশ বাজেট ও ব্যয় ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ’। তৃতীয় পর্বের বিষয় ছিল ‘এলজিআই পর্যায়ে ওয়াশ-পুষ্টি বাজেট এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ’।

সমাপনী অধিবেশনে ছিলেন পুষ্টি ও ওয়াশ খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের উপকারভোগী, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সিভিল সোসাইটি নেতা ও হেলথ প্রোমোশন এজেন্ট। -বিজ্ঞপ্তি

আরও