আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি কাঁচামালের উচ্চমূল্যের কারণে মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে ন্যাশনাল পলিমারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৪৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল পলিমারের ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৬৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল পলিমারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৬৩ পয়সায়।
১৯৯৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল পলিমারের পরিশোধিত মূলধন ৭২ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ২৯ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৮। এর ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক ২০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৭১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৬২ পয়সায়।
ন্যাশনাল পলিমারের সর্বশেষ সাভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।