একই সঙ্গে সভায় বিওয়াইডির গাড়ি আমদানি ও বিতরণের সিদ্ধান্তও অনুমোদন করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত রানার অটোমোবাইলসের ২০২তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় চীনের বিওয়াইডি অটো ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানির সঙ্গে সম্পাদিত মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং এগ্রিমেন্টের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় চুক্তিটি বাস্তবায়নের পরবর্তী করণীয়ও অনুমোদন করা হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে বিওয়াইডির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল লাইসেন্স চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং এগ্রিমেন্টের আওতায় প্রকল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং অন্যান্য প্রস্তুতি গ্রহণের অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় বিওয়াইডির গাড়ি আমদানি ও বিতরণের অনুমোদন দিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও এখনো সংশ্লিষ্ট চুক্তির কপি জমা দেয়নি রানার অটোমোবাইল।
এছাড়া কোম্পানিটির মূলধন কাঠামোতেও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের মতামত জানতে আগামী ৮ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টায় বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজন করা হয়েছে।
পাশাপাশি ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য সুবিধাসহ সঞ্চয়ী ও অংশগ্রহণবিহীন ২৫০ কোটি টাকার অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে পর্ষদ। তবে এ শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেবে রানার অটোমোবাইলস।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা।