বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে হার্ড কপিতে দাখিল করা মাসিক ভ্যাট রিটার্নগুলো ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ এবং অনলাইন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধার্থে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।
এনবিআর জানায়, এ সাব-মডিউল ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়ে ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছিল। সে সময় সব কাগজভিত্তিক ভ্যাট রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। তবে ই-ভ্যাট প্লাটফর্মের তথ্যানুযায়ী, এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের আগে দাখিল করা হার্ড কপি রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করেনি।
এ অবস্থায় জুলাই থেকে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার সুযোগ দিতে সময়সীমা আরো তিন মাস বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।
এনবিআর সতর্ক করে জানিয়েছে, সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের কাগজভিত্তিক রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হবে, তারা বিভিন্ন বিধিনিষেধের মুখোমুখি হবে। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালান্স) স্থগিত বা ‘ফ্রিজ’ করে দেয়া হবে। ফলে ভবিষ্যতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো ধরনের সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে না।