বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি মতিন স্পিনিং মিলস পিএলসির শেয়ার গত সোমবার লেনদেন শেষে ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ৭৮ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৭৪ টাকা ৫০ পয়সা। এতে দিন শেষে শেয়ারটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলস বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৭৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৪ পয়সায়।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মতিন স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৯১ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার। এর ৩২ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪২ দশমিক শূন্য ৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৫ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।