কাঁচামাল কেনার পর গতকাল কোম্পানিটির কারখানায় উৎপাদন আবারো শুরু হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আায় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৯০ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ ও ৯ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩১ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ৬৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ২৭ পয়সায়।
সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২২ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫৫। এর ৪৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ২১, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।