আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১০ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩৮ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় হাইব্রিড মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঠিক করা হয়েছে আগামী ১৬ আগস্ট।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এর মধ্যে ঘোষিত ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ বাতিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৯১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৪৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৯১ পয়সা, আগরে হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-হাজ টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২৬ পয়সা। আগরে হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৬১ পয়সায়।
১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আল-হাজ টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২২ লাখ ৯৮ হাজার ৫৪৯। এর ৩০ দশমিক ৬৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে দশমিক শূন্য ১, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক শূন্য ৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬০ দশমিক ২৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।