বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এসব শেয়ার কিনছেন তিনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে উত্তরা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৯৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে উত্তরা ব্যাংকের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে উত্তরা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকের এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩১ টাকা ৭৯ পয়সায়।
২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে উত্তরা ব্যাংক। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উত্তরা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২১২ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৮৮৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২১ কোটি ২৮ লাখ ৩৬ হাজার ৯০। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৫৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক শূন্য ৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৬২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৪ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।