ঢাকার ছয় পাবলিক টয়লেটের মান নিশ্চিতে ভূমিজ ও আইপিডিসির অংশীদারত্ব

এ অংশীদারত্বের আওতায় রাজধানীর ছয়টি ব্যস্ত এলাকার ছয়টি পাবলিক টয়লেটের পরিচালন ব্যয় বহন করবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স।

ঢাকার ছয়টি পাবলিক টয়লেটের (গণশৌচাগার) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি। এর মূল লক্ষ্য নারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষসহ সবার জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো। এ অংশীদারত্বের আওতায় রাজধানীর ছয়টি ব্যস্ত এলাকার ছয়টি পাবলিক টয়লেটের পরিচালন ব্যয় বহন করবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। ফলে টয়লেটগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও ব্যবহার উপযোগী থাকবে এবং সেবা কখনো বন্ধ হবে না।

পাবলিক টয়লেটগুলো হলো মহাখালী বাস টার্মিনালের অনন্যা নারী পাবলিক টয়লেট, গুলশান-১-এর ভূমিজ পাবলিক টয়লেট, মিরপুর-১০-এর ভূমিজ যানবাহন পাবলিক টয়লেট, গাউসিয়া নূর ম্যানশনে অবস্থিত ভূমিজ-রবীন্দ্র নারী পাবলিক টয়লেট (শুধু নারীদের জন্য), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগ চত্বরের ভূমিজ নারী পাবলিক টয়লেট এবং খিলক্ষেত বাজারের ভূমিজ খিলক্ষেত পাবলিক টয়লেট।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভূমিজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফারহানা রশিদ, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মো. মাসুদুল ইসলাম এবং আইপিডিসির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) ফাহমিদা খানসহ অন্যান্য প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ফাহমিদা খান বলেন, ‘এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা এসব সেবা যথাযথভাবে চালু রাখতে ভূমিজের পাশে থাকতে চাই, যাতে ঢাকাবাসীর জীবনযাত্রা আরো স্বস্তিদায়ক হয়। এ উদ্যোগ বাস্তবসম্মত সমাধানের মাধ্যমে মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিষয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আরো দৃঢ় করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

ভূমিজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা রশিদ বলেন, ‘আইপিডিসির সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা টয়লেটগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করতে, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে এবং আরো নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে পারব।’

আরও