ইংল্যান্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফকুয়াল সম্প্রতি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
সংস্থাটির প্রধান ইয়ান বাউখাম জানান, মোবাইল ফোনের অপব্যবহারের সঙ্গে সবাই পরিচিত হলেও এখন তরুণদের হাতে স্মার্টওয়াচ বা স্মার্টঘড়ি দেখা যাচ্ছে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকা এসব ঘড়ি মোবাইল ফোনের মতোই পরীক্ষার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
বাউখাম একটি পডকাস্টে সতর্ক করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে বাজারে এমন স্মার্ট চশমা আসতে চলেছে, যার লেন্সের ভেতরের অংশে লেখা ভেসে উঠবে। সে লেখা কেবল পরীক্ষার্থী নিজেই দেখতে পাবেন। ফলে নতুন প্রযুক্তির ওপর আমাদের কড়া নজর রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা পদ্ধতি কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। কারণ পরীক্ষা ব্যবস্থা নির্ভরযোগ্য না হলে তা কারো জন্যই ভালো হবে না।’"
অফকুয়াল জানায়, ইন্টারনেট সুবিধা সম্বলিত বিভিন্ন গ্যাজেট, যার মধ্যে অদৃশ্য ইয়ারপিস ও স্মার্ট চশমা রয়েছে, সেগুলোর বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে অনলাইনে প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন ও স্মার্টওয়াচ নিয়ে প্রবেশের কারণে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। গত গ্রীষ্মকালীন জিসিএসই ও এ-লেভেল পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসের মাধ্যমে নকলের ২ হাজার ২২৫টি ঘটনা রেকর্ড করেছে অফকুয়াল।
ডিভাইসের পাশাপাশি জিসিএসই ও এ-লেভেল কোর্সের শিক্ষাবর্ষের অ্যাসাইনমেন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও খতিয়ে দেখছে অফকুয়াল।
শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাজে বা অ্যাসাইনমেন্টে এআই ব্যবহার করছে কিনা, তা শনাক্ত করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।