স্ক্র্যাপ রিসাইক্লিংয়ের দিকে ঝুঁকছে ভারতের ধাতু শিল্প

ভারতের ধাতু শিল্প খাত প্রচলিত খনিভিত্তিক প্রক্রিয়া থেকে ধীরে ধীরে আধুনিক সুসংগঠিত রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।

আগামী দিনে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য বা স্ক্র্যাপ ধাতুর পুনর্ব্যবহারই দেশটির ধাতব খাতের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে। সম্প্রতি আশিকা ইনস্টিটিউশনাল ইকুইটিজ রিসার্চের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য বিজনেসলাইন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে এখন প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে ধাতু রিসাইক্লিং শিল্প দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে খনি থেকে সরাসরি তুলে আনা নতুন ধাতুর জায়গায় রিসাইকেল করা মাধ্যমিক ধাতু (ব্যবহৃত ধাতু পুনর্ব্যবহারের পর যে ধাতু পাওয়া যায়) একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদে পরিণত হচ্ছে। এ নতুন ব্যবস্থা দেশের দ্রুত বাড়তে থাকা শিল্পের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশগত ঝুঁকি, সম্পদের ঘাটতি ও ক্ষতিকর কার্বন নিঃসরণ কমাতেও বড় ভূমিকা রাখবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খনি থেকে সংগৃহীত আকরিক বা কাঁচা ধাতু এবং রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে পাওয়া মাধ্যমিক ধাতুর গুণগত মান ও কার্যক্ষমতা অবিকল এক। তবে রিসাইকেল করা ধাতু তৈরিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির খরচ অনেকটা সাশ্রয় হয়। এতে ব্যবসায়িক মূলধনি খরচ যেমন কমে, তেমনি কার্বন নিঃসরণও সীমিত থাকে।

ধাতুভিত্তিক প্রধান খাতগুলোর মধ্যে ব্যাটারিতে ব্যবহৃত সিসা পুনর্ব্যবহারের ব্যবসায় আয়ের দারুণ সুযোগ দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে বিদ্যুতায়ন প্রক্রিয়ার বর্ধিত চাহিদা ও অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ঘাটতির কারণে তামা খাত দীর্ঘমেয়াদে বড় বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করেছে। পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম খাত পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখছে। কারণ রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম তৈরিতে প্রাথমিক বা খনিভিত্তিক উৎপাদনের তুলনায় প্রায় ৯৫ শতাংশ কম শক্তির প্রয়োজন হয়।

আরও