বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এসব শেয়ার বিক্রি করেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৯২ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংক এশিয়ার পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংক এশিয়ার ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৪২ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংক এশিয়ার ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৯ পয়সা।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংক এশিয়ার ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬২ পয়সা।