পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহে ১১ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল লিমিটেড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১৮ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল লিমিটেড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল লিমিটেড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেলের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ২৬ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর আগে ২০২০ হিসাব বছরে মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৮ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।
২০১৭ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া নাহী অ্যালুমিনিয়ামের অনুমোদিত মূলধন ১২০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৬৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার ১৬০। এর মধ্যে ৩২ দশমিক ২৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২২ দশমিক ৭৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।