দেশের পুঁজিবাজারে গতকাল বস্ত্র খাতের আধিপত্য ছিল। এদিন খাতটিতে লেনদেনের পরিমাণ আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। গতকাল বস্ত্র খাতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এদিন মোট লেনদেনের ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে নিয়ে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল খাতটি।
গতকাল ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ৪১৩ পয়েন্ট। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ১০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ৬৯ পয়েন্ট। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস এদিন ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৪৮ পয়েন্ট। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ব্র্যাক ব্যাংক, ইবিএল ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল ৫৫৯ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬৪৫ কোটি টাকা। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৮৭টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২২টির, কমেছে ২০০টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৬৫টির।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে বস্ত্র খাত। ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সাধারণ বীমা খাত। জ্বালানি খাত ১১ দশমিক ২ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ছিল। ৯ দশমিক ২ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। গতকাল বেশির ভাগ খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২ দশমিক ২ শতাংশ, ভ্রমণ খাতে ১ দশমিক ৫, সাধারণ বীমা খাতে ১ দশমিক ২, জীবন বীমা খাতে ১ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে দশমিক ৭ শতাংশ।
সিএসইর নির্বাচিত সূচক সিএসসিএক্স গতকাল দশমিক ১১ শতাংশ কমে ৮ হাজার ৮৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইর সব শেয়ারের সূচক সিএএসপিআই এদিন দশমিক ১ শতাংশ কমে ১৪ হাজার ৪৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ১৬৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ৬৯টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৯টির।