সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটি শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৯৭৯ টাকা ৬০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৭৬৯ টাকা ৪০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫ টাকা ৬১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১১২ টাকা ৭৩ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৫৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে লোকসান ছিল ২০ টাকা ৩৩ পয়সা। গত ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২০ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৩ টাকা ২৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়ায় ৮৭ টাকা ৮৮ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৩ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৩ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৮ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীরা কোনো লভ্যাংশ পায়নি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩২ টাকা ৩৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়ায় ৪৬ টাকা ৬৫ পয়সায়।
২০১৯-২০, ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি রেনউইক যজ্ঞেশ্বর। তবে তার আগে ২০১৭-১৮, ২০১৬-১৭, ২০১৫-১৬ ও ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ করে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসান ২৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২০ লাখ। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ রয়েছে সরকারের হাতে। এছাড়া ১৪ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৪ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।