দেশের প্রথম সোশ্যাল বন্ডের সমাপ্তি উদযাপন করল ব্র্যাক ব্যাংক

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান।

দেশের প্রথম সোশ্যাল বন্ডের সফল সমাপ্তি উদযাপন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ‘পাইওনিয়ারিং ইমপ্যাক্ট: সেলিব্রিটিং বাংলাদেশ’স ফার্স্ট সোশ্যাল বন্ড’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যাংকটি। বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অন্য স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী বন্ড মার্কেট গড়ে তোলার বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে ব্যাংকটি। ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান, মো. নাফিজ আল তারিক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘দেশের প্রথম সোশ্যাল বন্ডের সফল সমাপ্তি ব্র্যাক ব্যাংক এবং দেশের টেকসই অর্থায়নের যাত্রায় একটি বড় মাইলফলক। বন্ড মার্কেট এমন ব্যবসা ও উদ্যোগে মূলধনের জোগান দিতে সক্ষম, যা সমাজে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।’

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১ হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের ‘ব্র্যাক ব্যাংক সোশ্যাল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের’ পুরো অর্থই ৬৬৫ জন বিনিয়োগকারী সাবস্ক্রাইব করেছেন। এর মধ্যে ৫৯৩ জনই ব্যক্তিবিনিয়োগকারী; বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক আর্থিক খাতে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ বলে জানিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। 

ব্র্যাক ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ‘সোশ্যাল বন্ড ফ্রেমওয়ার্ক’-এর অধীনে ইস্যু করা বন্ডটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ‘আইসিএমএ সোশ্যাল বন্ড প্রিন্সিপালস ২০২৫’ অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে। ফ্রেমওয়ার্কটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সেকেন্ড পার্টি অপিনিয়ন (এসপিও) প্রদানকারী সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংসের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।

বন্ডটি বাসেল-৩ নীতিমালার অধীনে ব্যাংকের টিয়ার-২ মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি সংগৃহীত অর্থ নির্দিষ্ট সামাজিক খাতে বিনিয়োগে ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

এসব খাতের মধ্যে রয়েছে কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই), কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী উদ্যোক্তা, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা এবং পানি ও স্যানিটেশন।

আরও