ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৪৭ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৬৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭৭ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৬৭ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৭ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৮৭ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩১ পয়সায়।
ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যায়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪০ লাখ। এর ৫৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৫১, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।