২০২৬-২৭ মৌসুম

ব্রাজিলে সয়াবিন চাষের জমি সামান্য বাড়বে

২০২৬-২৭ মৌসুমে বিশ্বের শীর্ষ সয়াবিন উৎপাদনকারী দেশ ব্রাজিলে এ শস্য চাষের আওতাধীন জমির পরিমাণ খুব সামান্য বাড়তে পারে।

মূলত উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও বৈরী আবহাওয়া এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্ট ঝুঁকির কারণে চাষীরা জমি বাড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিনের বড় সরবরাহকারী হওয়া সত্ত্বেও ব্রাজিলের কৃষকরা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে সারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এতে চাষীদের উৎপাদন খরচ বাড়লেও সে তুলনায় মুনাফা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে নতুন করে চাষের জমি বাড়ানোর উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন অনেক কৃষক।

আর্থিক সংকটের পাশাপাশি বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে ব্রাজিলের প্রধান শস্য উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোয় খরা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। খরা বা অতিবৃষ্টি—উভয়ই সয়াবিন চাষের জন্য চরম ক্ষতিকর। বিশেষ করে বৃষ্টির অভাব ফসলের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সাধারণত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ব্রাজিলে সয়াবিন রোপণের মৌসুম শুরু হয়। বর্তমানে উচ্চ উৎপাদন খরচ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কারণে এবার কৃষকরা বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। গত কয়েক বছরে ব্রাজিলে সয়াবিন চাষের এলাকা যেভাবে দ্রুত বেড়েছে, আগামী মৌসুমে সে ধারায় বড় ধরনের ধীরগতি দেখা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন রোপণ মৌসুম শুরু হওয়ার আগে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি ও বিশ্ববাজারের দামের দিকেই নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও