তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশটিতে বেরি জাতীয় ফলের রেকর্ড ফলন হয়েছে আগস্টে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
ব্রিটিশ বেরি গ্রোয়ার্সের (বিবিজি) হিসাব অনুযায়ী, চলতি মৌসুমের দুই-তৃতীয়াংশ ফসল তোলা শেষ হয়েছে এরই মধ্যে। এ বছর বেরির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষ করে ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরি ও রাস্পবেরির ফলন আশানুরূপ ছিল।
বিজ্ঞানসম্মত প্রযুক্তি ও সুপরিকল্পিত খামার ব্যবস্থাপনাই এ সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বলে জানায় সংস্থাটি। যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ বেরি চাষ হয় পলিটানেল বা বিশেষ প্লাস্টিক তাঁবুর নিচে। এছাড়া এসব খামারে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সেচ ব্যবস্থা (ডিপ ইরিগেশন) ব্যবহার হয়। ফলে বাইরে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থাকলেও ভেতরের ফলের গাছগুলো ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে গেছে।
কিছু শঙ্কাও রয়েছে। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহে টানা ফসল দেয়ায় কিছু গাছ দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে শরতের শুরুতে স্ট্রবেরির উৎপাদন কিছুটা ধীরগতির হতে পারে। এছাড়া ব্ল্যাকবেরি বা ব্লুবেরির ভালো ফলন হলেও ব্ল্যাককারেন্ট নামক বেরির উৎপাদন ১০ শতাংশ কমতে পারে।
বিবিজির চেয়ারম্যান নিক মারস্টন জানান, প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যের চাষীরা বহু বছর ধরে কোটি কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করে আসছেন। বিশেষ করে, শীতকালে পানি সংরক্ষণ করে রাখা ও নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে গাছে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দেয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর এপ্রিল ও মে মাসে কম রোদ থাকায় বেশ ভালো হয়েছে ফলগুলোর আকার ও মান।
যুক্তরাজ্যের ফলচাষীদের জন্য বেরি হলো সবচেয়ে লাভজনক ফসল। প্রতি বছর বেরি খাত থেকে দেশটির অর্থনীতিতে শত কোটি পাউন্ডের ব্যবসা হয়।