শেরপুরে ৫,৩৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্য

শেরপুরে রবি মৌসুমে ৫ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

শেরপুরে রবি মৌসুমে ৫ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার ফলন দ্বিগুণ হবে বলে মনে করছেন জেলার চরাঞ্চলের স্থানীয় কৃষকরা।

শেরপুর সদর উপজেলার কৃষক লাভলু মিয়া বলেন, ‘‌অন্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে আয় বেশি। তাই এবার মৌসুমে আমি তিন বিঘা জমিতে ফসলটি চাষ করেছি।’

তিনি জানান, গত বছর এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করে তার প্রায় ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় হয়েছিল।

চিনারচর গ্রামের কৃষক শফিক মিয়া জানান, চরাঞ্চলের মাটি ভুট্টা চাষে উপযোগী। এছাড়া ফসলটি চাষে খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত রবি মৌসুমে শেরপুরে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমি। সে সময় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২০২ হেক্টর বেড়ে ৫ হাজার ৩৪৭ হেক্টরে পৌঁছায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বণিক বার্তাকে জানায়, সরকারি প্রণোদনার আওতায় ৫ হাজার ৪২৫ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হয়েছে। প্রতি কৃষককে দুই কেজি ভুট্টাবীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে।

শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মালেক আকন্দ জানান, দেশে কয়েক বছরের তুলনায় সম্প্রতি ভুট্টা আবাদ বেড়েছে। এমনকি ভুট্টা চাষের পদ্ধতিসহ রোগবালাই ও পোকামাকড় প্রতিরোধ নিয়ে হাতেকলমে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে।

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়াতে কৃষকদের বীজ, সারসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এমনকি রোগবালাই দমনে প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেয়া হচ্ছে।

কৃষকদের দেয়া তথ্যমতে, প্রতি বিঘা জমিতে ৪০-৪৫ মণ ভুট্টা হয়। বিঘাপ্রতি খরচ ৮-১০ হাজার টাকা। এ হিসাবে ফসলটি আবাদে বিঘাপ্রতি আয় ৩০-৩৫ হাজার টাকা।

আরও