ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি দি পেনিনসুলা চিটাগং পিএলসির উদ্যোক্তা প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেনের মালিকানাধীন ৮৯ লাখ ৩ হাজার ১৬টি শেয়ার নমিনি হিসেবে তার স্ত্রী ও কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালক আয়েশা সুলতানার হিসাবে স্থানান্তর করা হবে। প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন গত ১৩ মে মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪০ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৬ পয়সায়।
২০২৪-২৫ বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল পেনিনসুলা। আলোচ্য হিসাব বছরে পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৯০ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৮৪ পয়সায়।
পেনিনসুলা চিটাগংয়ের সর্বশেষ সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থা এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পেনিনসুলা চিটাগংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮০০। এর ৫৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৯৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৬ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।