যার মূল্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় পণ্যটির আমদানি বেড়েছে।
ভোমরা কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখার তথ্যানুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে এ স্থলবন্দর দিয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টন শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছে। যার মূল্য ১৪৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে পণ্যটি আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ৩১ টন। যার মূল্য ছিল ১১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছর মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে ১ হাজার ৩৩৪ টন।
ভোমরা বন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, দেশী মসলা বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় তার প্রতিষ্ঠানে শুকনো মরিচের আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ অর্থবছরের প্রথম মাসে পণ্যটির আমদানি অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
এদিকে বন্দরে আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার স্থানীয় মসলা বাজারগুলোয় দাম কমেনি শুকনো মরিচের। গতকাল সাতক্ষীরার বড় বাজারের খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি শুকনো মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা দরে। এক মাস আগেও দাম একই ছিল। ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বাড়লেও পাইকারি পর্যায়ে দাম কমেনি। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও কেন শুকনো মরিচের দাম কমনি সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’