পর্তুগালে অলিভ অয়েলের উৎপাদন বাড়তে পারে ১০%

অলিভাম (অ্যাসোসিয়েশন অব অলিভ গ্রোয়ার্স অ্যান্ড অলিভ অয়েল মিলস) এক বিবৃতিতে জানায়, এ বছর অলিভ অয়েলের উৎপাদন বেড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৭ হাজার টনে পৌঁছতে পারে।

পর্তুগালে ২০২৬-২৭ মৌসুমে অলিভ অয়েলের উৎপাদন প্রায় ১০ শতাংশ বাড়তে পারে। এমনটিই পূর্বাভাসে জানিয়েছে দেশটির খাতসংশ্লিষ্ট প্রধান সংগঠন অলিভাম। এতে করে গত মৌসুমের ঘাটতি কাটবে এবং দেশের কৃষি খাত বড় রকমের পুনরুদ্ধার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর দ্য পর্তুগাল নিউজ।

অলিভাম (অ্যাসোসিয়েশন অব অলিভ গ্রোয়ার্স অ্যান্ড অলিভ অয়েল মিলস) এক বিবৃতিতে জানায়, এ বছর অলিভ অয়েলের উৎপাদন বেড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৭ হাজার টনে পৌঁছতে পারে। আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫-২৬ মৌসুমে উৎপাদন হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন। দেশটিতে উৎপাদিত মোট অলিভ অয়েলের প্রায় ৭০ শতাংশই এ সংস্থার আওতাভুক্ত।

সংগঠনটি জানায়, অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে এবার জলপাই দ্রুত পাকতে পারে। ফলে চাষীরা স্বাভাবিক সময়ের আগেই সংগ্রহ শুরু করতে পারেন। তেলকলগুলোয়ও আগেভাগে কাজ শুরু হতে পারে। তবে সংগঠনটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক গনসালো মোরেইরা বলেন, ‘মৌসুমের ফলাফল সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোটা খুব তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। আবহাওয়ার পরিস্থিতিও উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে।’

আগাম সম্ভাবনার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। গত মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় কৃষিকাজে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ এবং যানবাহনে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এ বাড়তি জ্বালানি খরচ চাষীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

আরও