ডিসিসিআইয়ের আহ্বান

উৎসে কর মনিটরিংয়ে হয়রানি নয়

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উৎসে কর কর্তন, জমা, মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

তবে একই সঙ্গে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অহেতুক হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। বিশেষ করে কর আইনের বিধান বাস্তবায়নের সময় নিয়মিত কর পরিশোধকারী ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলা প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে অযথা ভোগান্তির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে তারা। ডিসিসিআই গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানায়।

সংগঠনটি বলেছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭(২) ধারার আওতায় যেকোনো ব্যবসায়িক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উৎসে কর কর্তন, জমা, মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে এবং করজাল সম্প্রসারণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তবে ডিসিসিআইয়ের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে কর-সংক্রান্ত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় তদন্ত বা প্রশাসনিক হয়রানির সুযোগ থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো পুরোপুরি কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে পারেনি, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ রাখা উচিত, যাতে তারা আইন মেনে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সরকারের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং করজাল সম্প্রসারণে অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আরো বাড়ানো প্রয়োজন। কর প্রশাসনে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা কার্যকরভাবে চালু করা গেলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তি কমবে, পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও বাড়বে।

ডিসিসিআই মনে করে, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ—দুটি লক্ষ্যই একসঙ্গে অর্জন করা সম্ভব। এজন্য এনবিআরের সঙ্গে বেসরকারি খাতের গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখা এবং ব্যবসায়ীদের কর ব্যবস্থাপনায় আরো শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।

আরও