তবে বেসরকারি জেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এলিভেট জেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দাবি করছেন, প্রকৃতপক্ষে জ্বালানির বড় কোনো সংকট নেই। অলাভজনক ফ্লাইটগুলো বাতিল করতেই এয়ারলাইনসগুলো এ ‘বিভ্রান্তি’ ছড়াচ্ছে। খবর ফরচুন।
গ্রেগ রাইফের মতে, জ্বালানি সংকটের অজুহাত দিয়ে বাণিজ্যিক এয়ারলাইনসগুলো মূলত কম লাভজনক রুটগুলো থেকে সরে আসতে চাইছে। বিমানবন্দরে নিজেদের স্লট ধরে রাখতে এয়ারলাইনসগুলোকে চুক্তিবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফ্লাইট চালাতে হয়। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় অনেক রুট এখন অলাভজনক হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দুবাই বা রিয়াদের মতো গন্তব্যগুলোর ফ্লাইট বাতিল করে কোম্পানিগুলো এখন নিজেদের লোকসান কমাতে চাইছে বলে মনে করছেন এ সিইও। জ্বালানির ঘাটতি না থাকলেও দাম নিয়ে কারসাজি চলছে বলে অভিযোগ করেন রাইফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খোলা বাজারে প্রতি গ্যালন জেট ফুয়েলের দাম ৪ ডলারের সামান্য বেশি হলেও ওয়াশিংটনের একটি কেন্দ্রে ব্যক্তিগত জেট মালিকদের কাছ থেকে ১০ ডলার ৪২ সেন্ট পর্যন্ত রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে ট্যাক্স, ফি ও অন্যান্য সেবামূলক খরচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ চলতে থাকলে সামনের শীতকালে এ সংকট আরো বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন রাইফ। এছাড়া যুদ্ধের প্রভাব কাটলেও বিমানবন্দরগুলো জ্বালানির বর্ধিত দাম সহজে কমাবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।