পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর গত সপ্তাহে প্রায় ২৬ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৬ টাকা ৭০ পয়সা। এতে ডিএসইর সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফান্ডটি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ফান্ডটির ট্রাস্টি। আলোচ্য হিসাব বছরে সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ৩০ জুন ২০২৫ শেষে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৬৬ পয়সায়। ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৯০ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ফান্ডটির ট্রাস্টি। আলোচ্য হিসাব বছরে মিউচুয়াল ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ৩০ জুন ২০২৪ শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৬৭ পয়সায়। ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৮৫ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে মিউচুয়াল ফান্ডটির নিট মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ সময়ে ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ৫৩ পয়সা। বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এ বছরের ৩০ জুন শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৪৩ পয়সায়। ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৮৪ পয়সায়।
২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬৬ কোটি ৮৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট ইউনিট সংখ্যা ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০। এর ৬৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ৮৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ ইউনিট রয়েছে।