তবে কোম্পানি দুটির পক্ষ থেকে শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এমন তথ্য জানিয়েছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর ও প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স ।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২২ জুন ডিএসইতে রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারদর ছিল ৫৩৮ টাকা ৩০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৭১৫ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত ১৫ দিনে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫ টাকা ৬১ পয়সা।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২২ জুন ডিএসইতে প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৫১ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৬৬ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত ১৫ দিনে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৮ পয়সা।
৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৯৩ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ টাকা ১৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৫৯ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রভাতীর ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৫ পয়সায়।