বেপজার দুই জোনে বিশ্বের শীর্ষ দুই জিপার উৎপাদকের কারখানা

মিরসরাইয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদনে চীনা এসবিএস জিপার

ছয়টি শিল্প প্লটে স্থাপিত কারখানাটিতে বিভিন্ন ধরনের জিপার, জিপারের যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক বোতাম ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪০ জন বাংলাদেশী কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে গেলে এখানে দুই হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জিপার উৎপাদনকারী চীনা প্রতিষ্ঠান এসবিএস জিপার বাংলাদেশ কোং লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল ১-এ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে। এর মধ্য দিয়ে বেপজার অধীন দুটি জোনে বিশ্বের শীর্ষ দুই জিপার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কারখানা স্থাপিত হলো। বেপজাধীন ঢাকা ইপিজেডে আগে থেকেই উৎপাদনে রয়েছে জাপানের শীর্ষস্থানীয় জিপার প্রস্তুতকারক ওয়াইকেকে।

শতভাগ চীনা মালিকানাধীন এসবিএস জিপারের উৎপাদন শুরু উপলক্ষে গতকাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এরই মধ্যে বিনিয়োগ হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ডলার।

ছয়টি শিল্প প্লটে স্থাপিত কারখানাটিতে বিভিন্ন ধরনের জিপার, জিপারের যন্ত্রাংশ, প্লাস্টিক বোতাম ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪০ জন বাংলাদেশী কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে গেলে এখানে দুই হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসবিএস জিপার গ্রুপের চেয়ারম্যান, বিদেশী ক্রেতা, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল ১-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহবুব প্রতিষ্ঠানটিকে অভিনন্দন জানান।

বেপজা জানিয়েছে, এসবিএস জিপারের উৎপাদন শুরু হওয়া বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন। এ উদ্যোগ রফতানিমুখী শিল্পায়ন, বৈদেশিক বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখবে।

উল্লেখ্য, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল ১-এ মোট ২৭৯টি শিল্প প্লটের মধ্যে ২৬৩টি এবং একটি ছয়তলা কারখানা ভবন ৪৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৪টি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। আরো কয়েকটি শিগগির উৎপাদনে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া ১৭টি প্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণাধীন রয়েছে।

আরও