মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) বৈদেশিক কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে দেশটিতে চাল উৎপাদন কমে ৩৫ লাখ টনে দাঁড়াতে পারে। খবর ওয়ার্ল্ড-গ্রেইন ডটকম।
মূলত চাল চাষ কমিয়ে কৃষকদের অন্য ফসল চাষে উৎসাহিত করতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভাতের চেয়ে মাংস ও আটাজাতীয় খাবারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাথাপিছু চাল ব্যবহারের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৯ কেজিতে, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৫ দশমিক ৮ কেজি।
এছাড়া ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে ঘরে ভাত রান্নার বদলে প্যাকেটজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারের চাহিদা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশটিতে গমের চাহিদা বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার উৎপাদন কমানোর এ নীতি গ্রহণ করেছে।