ভিয়েতনামে কফির দরপতন

দেশটির প্রধান কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি বিন বিক্রি করেছেন ৯১-৯২ হাজার ৫০০ ডংয়ে (৩ ডলার ৫২ থেকে ৩ ডলার ৫৮ সেন্ট)।

ভিয়েতনামে গত সপ্তাহে দরপতন হয়েছে কফির। নতুন মৌসুমের কফি বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ কারণে বাজারে কেনাবেচাও এখনো ধীরগতিতে চলমান। খবর বিজনের রেকর্ডার।

দেশটির প্রধান কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি বিন বিক্রি করেছেন ৯১-৯২ হাজার ৫০০ ডংয়ে (৩ ডলার ৫২ থেকে ৩ ডলার ৫৮ সেন্ট)। আগের সপ্তাহে দাম ছিল ৯২ হাজার ৬০০ থেকে ৯৩ হাজার ৫০০ ডং। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারেও পণ্যটির দাম কমেছে। গত বুধবার সর্বশেষ লেনদেনে জানুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে রোবাস্তা কফির দাম ২ শতাংশ বা ৬০ ডলার কমে প্রতি টন ৩ হাজার ৩৬৪ ডলারে নামে।

ভিয়েতনাম কফি অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশটিতে কফি উৎপাদন প্রায় ১৯ লাখ টন হতে পারে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ৬-১০ শতাংশ বেশি। চলতি মৌসুমেও উৎপাদন প্রায় একই পর্যায়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। এক ব্যবসায়ী জানান, এখনো বাজারে কেনাবেচা বাড়েনি। কিছু রফতানিকারক কফির দাম যাচাই করছেন, উল্লেখযোগ্য কোনো লেনদেন হয়নি। এল নিনোর প্রভাবে ২০২৭-২৮ মৌসুমে কফি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা অঞ্চলের রোবাস্তা কফিও আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। জানুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে দাম প্রতি টনে ১৬৫-২০০ ডলার বেশি চাওয়া হচ্ছে। আগের সপ্তাহে ১৮০-১৯০ ডলার বেশি দাম চাওয়া হয়েছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

আরও