বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে এগোচ্ছে, আর এখনই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার সময়। সরাসরি ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে যাওয়ার আগে ‘এশিয়া রিজিওনাল র্যাংকিং’ বা ‘সাবজেক্ট র্যাংকিং’ দিয়ে শুরু করুন। ওয়ার্ল্ড র্যাংকিংয়ে একাডেমিক ও এমপ্লয়ার রেপুটেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়; এশিয়ার র্যাংকিংয়ে তা আরো বেশি (২০ শতাংশ)। গ্র্যাজুয়েটরা যেন কর্মক্ষেত্রে ভালো করে ও শিক্ষকদের সঙ্গে শিল্পের নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তাতে বিশেষ মনোযোগ দরকার। আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানসম্মত গবেষণাপত্র প্রকাশে জোর দিন। বিদেশী শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আকর্ষণে কোনো শহরকে ‘গ্লোবাল স্টুডেন্ট হাব’ হিসেবে গড়ুন। বিষয়ভিত্তিক ও আঞ্চলিক র্যাংকিংয়ে গুণগত গবেষণা ও নিয়োগকর্তাদের আস্থা অর্জন হলে সহজেই বৈশ্বিক র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে।