প্রতিষ্ঠানের সুনামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত; আর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ও সুনামের চূড়ান্ত পরিমাপক। আন্তর্জাতিক গতিশীলতা, শিক্ষাগত অর্জন এবং ক্যারিয়ার উন্নয়নের মাধ্যমে সারা বিশ্বের অনুপ্রাণিত মানুষকে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জনে ক্ষমতায়ন করা আমাদের মিশন। কিছু রেপুটেশন ডেটা রয়েছে, যা আমরা আমাদের জরিপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জমা দেয়া তথ্য থেকে সংগ্রহ করি। সেপ্টেম্বরে ‘সার্ভে কন্টাক্ট সাবমিশন’ শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কন্টাক্ট জমা দেয়া যাবে। এ ডেটাগুলো যত দ্রুত সম্ভব প্রস্তুত রাখলে যেকোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সমস্যা এড়ানো যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কন্টাক্ট জমা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নভেম্বর থেকে মার্চের শুরুর দিক পর্যন্ত সাক্ষাৎকার ও জরিপ হবে। শিল্প খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এমন একটি ফোরাম দরকার যেখানে ব্যক্তিগত লাভের চেয়ে বৃহত্তর স্বার্থের সুযোগ অন্বেষণ করা যাবে। বাংলাদেশে উচ্চ মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরি হলেও কর্মক্ষেত্রে তাদের প্রস্তুতিতে একটি বড় ব্যবধান পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে এআই ও অটোমেশনের প্রভাবে দ্রুত পরিবর্তনশীল এ বিশ্বে শিক্ষার্থীরা যা শিখছে, তা ভবিষ্যতে তাদের কাজে লাগবে কিনা—এ ‘ফিউচার প্রুফিং’ বা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তুতিতে গুরুত্ব দিতে হবে।