ইন্টারনেটের দাম নিয়ে খাতসংশ্লিষ্টরা

বিএসসিপিএলসির মনোপলি সাশ্রয়ী দামের বড় প্রতিবন্ধকতা

গতকাল রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া ক্লাব ভবনে এক অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন। ‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট: টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা ও সমাধান কোথায়?’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতের পথে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) একচেটিয়া অবস্থানকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন ইন্টারনেট সেবাদাতা ও খাতসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক সংযোগে বেসরকারি সাবমেরিন কেবল যুক্ত হলে এ খাতে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এতে ব্যান্ডউইডথের দাম কমার পাশাপাশি গ্রাহক পর্যায়েও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতের সুযোগ তৈরি হবে।

গতকাল রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া ক্লাব ভবনে এক অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন। ‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট: টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা ও সমাধান কোথায়?’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি)।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সভাপতি এসএম মাসুদুজ্জামান রবিন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সমীর কুমার দে। বক্তব্য দেন মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম, সিডিনেট কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মশিউর রহমান ও রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম বজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রজেক্ট লিড মাহমুদ শাহেদ ও আইএসপিএবির কোষাধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমেদ দেশের ইন্টারনেট খাত নিয়ে দুটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম বলেন, ‘এ বছরই দেশের ব্যান্ডউইডথের চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ জিবিপিএস। ২০৩০ সালে এ চাহিদা ৫৪ হাজার জিবিপিএসে পৌঁছতে পারে। ২০২৭ সালে বিএসসিপিএলসি ১৭ হাজার ৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করলেও বাড়তি চাহিদা মেটাতে অন্য উৎসের ওপর নির্ভর করতে হবে।’ বর্তমানে দেশের ব্যান্ডউইডথের বড় একটি অংশ ভারত থেকে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংযোগে বিএসসিপিএলসির একচেটিয়া অবস্থান ভাঙা না গেলে এ নির্ভরতা কমানো কঠিন হবে। প্রতিযোগিতা থাকলে ইন্টারনেটের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।’

মশিউর রহমান বলেন, ‘সরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনায় এখনো আমলাতান্ত্রিক ধারা রয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের অভাবের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।’

আরও