এ নিয়ে গত সাতদিনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন না পাওয়ায় জলাতঙ্কের আতঙ্ক ও একের পর এক প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।
গতকাল দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে মারা যান শারমিন সুলতানা (৫২) নামে এক গৃহবধূ। তিনি উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কঞ্চিবাড়ী গ্রামের ছালাম মিয়ার স্ত্রী। এর আগে ৬ মে মারা যান কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা কঞ্চিবাড়ী গ্রামের নন্দা রানী ও ফুলু মিয়া। এর দুদিন পর ৮ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ছাপড়হাটী গ্রামের রতনেশ্বর কুমার। ১২ মে রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আফরোজা বেগম। তিনি ওই ইউনিয়নের বজরা কঞ্চিবাড়ী এলাকার মতিয়ার রহমানের স্ত্রী। এ নিয়ে একই এলাকার পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কুকুর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব মূলত ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার। আক্রান্ত এলাকায় কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়ার প্রয়োজন ছিল, তবে আমাদের কাছে সেই ভ্যাকসিন নেই।’ এ বিষয়ে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান কথা বলতে রাজি হননি। জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আক্রান্ত ও নিহতের পরিবারের পাশে থেকে প্রশাসন কাজ করছে।’