ফিফার অর্থায়নে রামুতে হচ্ছে বাফুফের টেকনিক্যাল সেন্টার

বাফুফে সূত্র জানায়, ২০২২ সালে বাংলাদেশের জন্য টেকনিক্যাল সেন্টার প্রকল্প অনুমোদন করে ফিফা।

দীর্ঘ জটিলতার পর কক্সবাজারের রামুতে ফিফার অর্থায়নে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আধুনিক টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের পথ খুলেছে। গতকাল রামুর রশিদনগরে ১৫ একর ২০ শতক জমির রেজিস্ট্রি দলিল বাফুফের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন।

গতকাল কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জমি রেজিস্ট্রেশন-সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেন। পরে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল বাফুফে সভাপতির কাছে হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বাফুফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাফুফে সূত্র জানায়, ২০২২ সালে বাংলাদেশের জন্য টেকনিক্যাল সেন্টার প্রকল্প অনুমোদন করে ফিফা। প্রাথমিকভাবে রামুর খুনিয়াপালংয়ে ২০ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হলেও সেটি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মধ্যে পড়ায় পরিবেশগত আপত্তি ওঠে। পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওই বরাদ্দ বাতিল করে বিকল্প জমি খুঁজতে বলা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ২০২৫ সালে রশিদনগরের ধলিরছড়া মৌজায় সরকারি খাস শ্রেণীর ১৫ দশমিক ২০ একর জমি নির্ধারণ করা হয়।

প্রকল্পে ফিফার প্রায় ৮৮ কোটি টাকা (৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার) ব্যয় করবে বাফুফে। এখানে একাধিক প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাসের মাঠ, খেলোয়াড়দের আবাসন, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ইউনিট, ক্লাসরুম, ভিডিও অ্যানালাইসিস ল্যাব, কোচিং এডুকেশন সেন্টার, ডাইনিং ও কনফারেন্স সুবিধা থাকবে।

জাতীয় ও বয়সভিত্তিক দলগুলোর প্রশিক্ষণ, কোচিং শিক্ষা এবং প্রতিভা অন্বেষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যেই কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হচ্ছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের এ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের ফুটবল উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।’ আগামী মাসে কেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

আরও