আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন উপহার দিতে চাই: সিইসি

সিইসি আরো বলেন, বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেমন সুন্দর হয়েছিল, এ উপনির্বাচন যেন তার চেয়েও ভালো হয় সে বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে নিয়োজিত করা হয়েছে

সারা বিশ্বে নির্বাচনের যে আন্তর্জাতিক মান রয়েছে, বর্তমান কমিশন সেটিই দেখাতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আইন শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ এর নির্বাচন মনিটর শেষে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ মনিটর করা হচ্ছে। এবারই প্রথম ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সিইসি আরো বলেন, বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেমন সুন্দর হয়েছিল, এ উপনির্বাচন যেন তার চেয়েও ভালো হয় সে বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী নিয়োজিত করা হয়েছে।

শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের চলমান পরিস্থিতি জানিয়ে সিইসি বলেন, সকাল থেকেই পরিবেশ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছে। সাধারণত উপনির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা কম হওয়ার প্রবণতা থাকে, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সন্তোষজনক।

চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাই এ নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, এসব বিষয়ে সরকারের সাথে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন অধ্যাদেশ পাস ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সংসদে চলমান আলোচনা বা হাইকোর্টে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরিষ্কার জানান যে ভোটের দিনের পরিস্থিতির সঙ্গে এসব বিষয় এখন অপ্রাসঙ্গিক।

আরও