বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মঈন খানকে অভিনন্দন জানালেন ভারতীয় হাইকমিশনার

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির নেতাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। একদিকে হচ্ছেন একজন স্টেটসম্যান, আরেকদিকে হচ্ছি আমার মতো একজন পলিটিশিয়ান। মন্ত্রী সাহেব একজন স্টেটসম্যান। আর স্টেটসম্যান সব সময় পরবর্তী প্রজন্মের কথা বলেন, ভাবেন। আমি ওনার কাছে অনেক কিছু শিখেছি। ওনার যে অভিজ্ঞতা আছে, যে জ্ঞান আছে, তা আমাদের সবাইকে একটা দিশা দেখাচ্ছে। আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, আজ একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। আবার বলি, আজ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিন। এটা নিয়ে ওনাকে, দলকে, সবাইকে অভিনন্দন জানাই। আর এটাই হলো মিলেমিশে কাজ করা। আর তো বেশি কিছু বলার ছিল না।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য না করার কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আমরা কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলাও উচিত নয়। দেশের মানুষ যা ভালো বুঝবে, দেশের নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার যা ভালো বুঝবে এবং জনগণের জন্য যা ভালো, সেটাই মূল কথা।

তিনি আরো বলেন, প্রতিনিধি হিসেবে আমরা সব সময়ই চাই জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক। আমি না থাকলে আমার জায়গায় যিনি থাকবেন, তিনিও একই বিষয় চাইবেন। আপনাদেরও দিল্লিতে প্রতিনিধি আছেন। তিনিও নিশ্চয়ই চাইবেন, কীভাবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা যায়।

দুই দেশের সিদ্ধান্তের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যে সিদ্ধান্তই নিই, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। সাধারণ মানুষের জন্য যা ভালো, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমরা সব সময় বলি, আমরা একটি স্বপ্ন ভাগ করে নিই। আমরা সীমান্ত তো ভাগ করিই। সে কারণে প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দায়িত্বও বেড়ে যায়। আমি সব সময় বলি, আমরা সমান। কেউ বড় নয়, কেউ ছোট নয়। আমি এখানে এসে অনেক কিছু শিখছি।

সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি এখানে প্রায় ৩০ মিনিট ছিলাম এবং অনেক কিছু শিখেছি, কারণ তার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করার বিষয়টির কোনো শেষ নেই, চ্যালেঞ্জও থাকবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ পরস্পরকে বোঝার ওপর গুরুত্ব দিয়ে দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে বাংলাদেশের কী ধরনের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একইভাবে ভারত কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, সেটিও বাংলাদেশকে বুঝতে হবে। আমাদের এগিয়ে যেতে হলে পরস্পরের সেই চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রাখতে হবে।

আরও