আমি ২০০৮ সালে একটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে ছিলাম। তখন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আমার কয়েকবার মতবিনিময়ের (ইন্টারঅ্যাকশন) সুযোগ হয়েছিল। আমি উনাকে দেখেছি অত্যন্ত দৃঢ় ও সজ্জন একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে। বলা যায়, উনি কোনো কিছুই হালকাভাবে করতেন না। এখানে অবশ্যই বলে নিতে হয় যে উনার সঙ্গে আমার যতটুকু মতবিনিময় হয়েছে, সেটি ছিল সীমিত পরিসরে।
বেগম খালেদা জিয়াকে আমি একজন উঁচুদরের রাজনীতিক হিসেবেই উপলব্ধি করেছি। তিনি তার ধারণা ও নীতিতে যথেষ্ট অবিচল। একই সঙ্গে তাকে আমি আলাপ-আলোচনায় আগ্রহী মানুষ হিসেবেও দেখেছি। সুষ্ঠুভাবে এগোনোর পথে যদি কোনো পরামর্শের বিষয় আসত, সেগুলো দিতে তিনি কখনো পিছপা হতেন না।
আজ তিনি জীবনের এক ধরনের সংকটপূর্ণ অবস্থায় আছেন। আমি দোয়া করছি, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন। উনার যে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা, তিনি তার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। তার সেই কষ্ট আমরা দেখেছি এবং এক অর্থে সেটা ছিল অন্যায়ভাবে দেয়া কষ্ট। এ কষ্ট আসলে তার প্রাপ্য ছিল না। তার যে জীবন, তাতে করে এ কষ্ট প্রাপ্য ছিল না।
আল্লাহ তাকে ফিরিয়ে আনবেন এ দোয়া করছি, কারণ তার আরো অনেক কিছু করার আছে।
আমাদের সমাজ এখন অত্যন্ত সংকটপূর্ণ সময় পার করছে। এখানে তার মতো ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিই এক ধরনের স্বস্তিময় প্রভাব সৃষ্টি করে। শুধু তার উপস্থিতিটাই পরিবেশকে শান্ত রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। আমি এ দোয়াটাই করছি।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা