জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড একটি প্রতারণার প্যাকেজ। এ প্যাকেজের কথা বলে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। বাংলাদেশের সংকট এখন কৃষক কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ডের না। বাংলাদেশের সংকট হচ্ছে দেশের ভেঙে পড়া অর্থনীতি, যা চাঙ্গা করতে হবে।
গতকাল সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ১১ দল মনোনীত এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলমের সমর্থনে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ঋণখেলাপি ও লুটেরাদের বিচারের আওতায় আনা। বাংলাদেশে যাতে বিনিয়োগ আসে সে ব্যবস্থা তৈরি করা। আমরা সে ধরনের পরিকল্পনা ও সে ধরনের ইশতেহার নিয়ে কথা বলছি। আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলছি, নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলছি।
নাহিদ একটি দলের শীর্ষ নেতার প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তারা তাহাজ্জুদের নামাজের পড়ে ভোট কেন্দ্রে ভোটারদেরকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে কেন্দ্র দখল করে সিল মারার পাঁয়তারা করছেন। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা এ সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেজন্য ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবে। যারা ভোট প্রদানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, নানামুখী ষড়যন্ত্র করবে তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন এনসিপির এ নেতা।
এদিকে একই মঞ্চে এনসিপির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, মিডিয়াকে আমরা আবারও দলীয়করণ হয়ে যেতে দেখছি। উপরে উপরে সকল প্রতিষ্ঠানকে একদিকে হেলে পড়তে দেখছি। সকলকে মনে করিয়ে দিতে চাই, ৫ আগস্টের পূর্বে এদেশের সকল মিডিয়া দালালী করলেও ফ্যাসিবাদীকে রক্ষা করা যায়নি। এদেশের জনগণ রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছে।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের এনসিপি প্রার্থী মাহবুব আলম, উপজেলা জামায়াত আমির নাজমুল হাসান পাটোয়ারী, পৌর আমির অ্যাডভোকেট হাসান বান্না, নাগরিক পাটির উপজেলা আহ্বায়ক মো: মাছুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।