এভারকেয়ার, চট্টগ্রামের পিসিডির ১০ বছর পূর্তিতে আলোচনা

শিশুর হৃদরোগের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করার পরামর্শ

বক্তারা জানান, প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৮-১০ জন জন্মগতভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। জন্মের পর পরই কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও অনেক ক্ষেত্রে শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা প্রকাশ পায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াও হৃদরোগ থাকতে পারে।

শিশুদের হৃদরোগের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শ্বাসকষ্ট, খাওয়ার সময় ক্লান্ত হয়ে পড়া, অতিরিক্ত ঘাম বা ওজন না বাড়ার মতো লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ সমস্যা মনে করা হয়। তবে এসব লক্ষণ বারবার দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত বলে জানিয়েছেন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি বিভাগের (পিসিডি) প্রতিষ্ঠাতা, কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. তাহেরা নাজরীন। পিসিডির ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় শিশুদের হৃদরোগ, হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা, রোগের লক্ষণ, রোগ নির্ণয় ও সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

বক্তারা জানান, প্রতি এক হাজার শিশুর মধ্যে ৮-১০ জন জন্মগতভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। জন্মের পর পরই কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও অনেক ক্ষেত্রে শিশুর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা প্রকাশ পায়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াও হৃদরোগ থাকতে পারে।

এভারকেয়ার হসপিটালসের এমডি ও সিইও ডা. রত্নদ্বীপ চাস্কার বলেন, ‘হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে জন্মের পর পরই বা শৈশবের শুরুতে রোগ শনাক্ত করা গেলে ডিভাইস ক্লোজার পদ্ধতিতে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব। তাই গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আলট্রাসনোগ্রাফি ও জন্মের পর শিশুর হার্টের রুটিন পরীক্ষা করানো জরুরি।’

আরও