রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফুটপাতে বিশ্রামরত অবস্থায় গাড়িচাপায় একজন নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার কিশোরকে আদালত কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে ৯ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই কিশোরের পক্ষে লড়া আইনজীবী আলমগীর হোসাইন।
ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ গতকাল ওই কিশোরকে তোলা হয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. আরেফিন ইসলাম তাকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন করেন।
অন্যদিকে তার জামিন চেয়ে করা আবেদনে বলা হয়, এ কিশোর গাড়িতে চালকের পাশের আসনে বসা ছিল। নিহত মেহেদী একজন শ্রবণ ও বাক-প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন। হর্ন বাজানো সত্ত্বেও তিনি দ্রুত সরে যেতে না পারায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পরে ওই কিশোরের আইনজীবী আলমগীর হোসাইন বলেন, ‘ঘটনাটি আপস করা হয়েছে। ৯ লাখ টাকা নিহতের পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ নিহতের পরিবার পোস্টমর্টেম ও মামলা করতে চায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ যদিও জানান, সড়ক পরিবহন আইনে করা মামলা আপসযোগ্য নয়। বাদী ও আসামি পক্ষের মধ্যে আপস হলেও আদালত তা গ্রহণ করতে বাধ্য নন।