প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। পরে রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করেন।
মন্ত্রী:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর—স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়;
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী—অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়;
সালাহউদ্দিন আহমদ—স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,
ইকবাল হাসান মাহমুদ—বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)—মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন—মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
ড. খলিলুর রহমান—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,
আব্দুল আউয়াল মিন্টু—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়;
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ—ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়;
মিজানুর রহমান মিনু—ভূমি মন্ত্রণালয়;
নিতাই রায় চৌধুরী—সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির—বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়;
আরিফুল হক চৌধুরী—শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়;
জহির উদ্দিন স্বপন—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়;
মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ—কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়;
আফরোজা খানম রিতা—বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়;
মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি—পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়;
আসাদুল হাবিব দুলু—দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়;
মো. আসাদুজ্জামান—আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়;
জাকারিয়া তাহের—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়;
দীপেন দেওয়ান—পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়;
আ ন ম এহছানুল হক মিলন—শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়;
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল)—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়,
ফকির মাহবুব আনাম—ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং
শেখ রবিউল আলম—সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী:
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত—বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়;
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত—বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়;
মো. শরীফুল আলম—বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়;
শামা ওবায়েদ ইসলাম—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু—কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়;
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল—ভূমি মন্ত্রণালয়,
ফরহাদ হোসেন আজাদ—পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়;
মো. আমিনুল হক—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়,
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন—পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়;
হাবিবুর রশিদ—সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়;
মো. রাজিব আহসান—সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়;
মো. আব্দুল বারী—জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়,
মীর শাহে আলম—স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়;
মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি)—অর্থ মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়;
ইশরাক হোসেন—মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
ফারজানা শারমীন—মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;
শেখ ফরিদুল ইসলাম—পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়;
মো. নুরুল হক নুর—শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়;
ইয়াসের খান চৌধুরী—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়,
এম ইকবাল হোসেইন—দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়,
এম এ মুহিত—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়,
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর—গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়,
ববি হাজ্জাজ—শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম—সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।