প্রথম প্রান্তিকে বিদেশী ঋণ পরিশোধ ১৩৫ কোটি ডলার

এ সময়ে সুদ-আসলে পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বিদেশী ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিদেশী ঋণের অর্থছাড়ের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে সুদ-আসলে পরিশোধ করতে হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বিদেশী ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

অন্যদিকে একই সময়ে বিদেশী ঋণ ও অনুদানের অর্থছাড় কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), চীন ও রাশিয়ার কাছ থেকে নতুন ঋণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। গত তিন মাসে বিদেশী ঋণ ও সহায়তা এসেছে মাত্র ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার।

গতকাল প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক প্রতিবেদনে বৈদেশিক ঋণের চাপ বাড়ার এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর বাংলাদেশ সরকার ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে, যার মধ্যে ৮৬ কোটি ডলার আসল এবং ৪৯ কোটি ডলার ঋণ হিসেবে পরিশোধ করেছে।

ইআরডি জানিয়েছে, ঋণের অর্থ পরিশোধের হার বাড়লেও কমেছে বিদেশী অর্থছাড়।

আরও